ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে পশু কোরবানি ও প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও গরীবদের মাঝে মাংস বিতরণের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন সারাদেশের মুসলমানরা

">
Pran All Time

ত্যাগের মহিমায় সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

UNB NEWS

বুধবার ২২ আগস্ট, ২০১৮ ০৮:১৮:৪০ এএম

ত্যাগের মহিমায় সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

ঢাকা, ২২ আগস্ট (ইউএনবি)- ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে পশু কোরবানি ও প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও গরীবদের মাঝে মাংস বিতরণের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন সারাদেশের মুসলমানরা।

ইসলাম ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, মহান আল্লাহ নবী হযরত ইব্রাহীমের ঈমানের পরীক্ষা নেয়ার জন্য তার একমাত্র ছেলে হযরত ইসমাইলকে কোরবানি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নবী ইব্রাহীমের সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার স্মরণে এ দিন সচ্ছল মুসলিমরা পশু কোরবানি করে থাকেন।

বুধবার সকালে রাজধানী ঢাকা, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ও দিনাজপুরসহ সারা দেশের বিভিন্ন ঈদগাহ ময়দান ও মসজিদে ঈদের জামাত আদায় করেছেন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলিম।

স্রষ্টার ক্ষমা ও অনুগ্রহ এবং দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করেছেন তারা।

ঢাকায় ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সর্বস্তরের মানুষের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আলাদা ব্যবস্থা ছিল।

এছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টায়, ৮টায়, ৯টায়, ১০টায় এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় ৪০৯টি জায়গায় ঈদের জামাত হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অধীনে মোট ২৩০টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে ১৭৯টি জায়গায় জামাত হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের শোকাকিয়া ঈদগাহে এবং দিনাজপুরের গোর-ই-শহীদ বড় ময়দানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঈদের নামাজ আদায় শেষে প্রতিপালকের সন্তুষ্টি লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা প্রিয় পশু কোরবানি করছেন।

এদিকে, দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ঈদুল-আজহা পালনের জন্য নিরাপত্তা বাহিনীগুলো পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সেই সাথে তাদের সড়ক, নদী ও রেলপথে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শহরের প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপগুলো জাতীয় পতাকা এবং বাংলা ও আরবিতে ঈদ মোবারক লেখা ব্যানারে সজ্জিত করা হয়েছে।

ঈদ উপলক্ষে কারাগার, হাসপাতাল, সরকারি শিশু কেন্দ্র, ছোটমনি নিবাস ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে।