দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল রাতারাতি বদলে গেছে। এই বন্দরে নতুন সিজিজি-৯ গেট  (বাইপাস সড়ক) চালু করার সাথে সাথে কেবলমাত্র ১২ ঘণ্টায় ৬৫৬টি ট্রাক পণ্য আমদানি হয়েছে।

">
Pran All Time

নতুন বাইপাস: বেনাপোলে ১২ ঘণ্টায় ৬৫৬ ট্রাক পণ্য আমদানি

UNB NEWS

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১০:৪৩:২১ এএম

নতুন বাইপাস: বেনাপোলে ১২ ঘণ্টায় ৬৫৬ ট্রাক পণ্য আমদানি

বেনাপোল, ২৩ ফেব্রুয়ারি (ইউএনবি)দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল রাতারাতি বদলে গেছে। এই বন্দরে নতুন সিজিজি-৯ গেট  (বাইপাস সড়ক) চালু করার সাথে সাথে কেবলমাত্র ১২ ঘণ্টায় ৬৫৬টি ট্রাক পণ্য আমদানি হয়েছে।

এর মাধ্যমে স্থলবন্দরটিতে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরটি সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নতুন গতি পাচ্ছে। 

বৃহস্পতিবার বেনাপোল বন্দরে কাস্টমসের তত্ত্বাবধানে বন্দর থেকে বাইপাস সড়ক দিয়ে প্রথমবারের মতো পণ্যবাহী ট্রাক বের হয়। সকাল ১০টায় পণ্য বোঝাই প্রথম ট্রাকটি সিজিসি-৯ গেট অতিক্রম করে।

কাস্টম হাউসের এ সামনের রাস্তায় এলোপাতাড়ি দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক নেই, বাস নেই, ভাড়া গাড়ি ও অপেক্ষমাণ তেমন কোনো যানও নেই।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল চৌধুরী বলেন, ১২ ঘণ্টায় বন্দর থেকে নতুন গেট দিয়ে ৬৫৬টি ট্রাক ও চেসিস বের হয়েছে। যানজটের এই বন্দরের মূল সড়ক দিয়ে এ সংখ্যা কল্পনা করাও দুরূহ ছিল। ট্রাকগুলোকে কাস্টম হাউসের সামনে দিয়ে যশোর বেনাপোল মহাসড়কে উঠতে হয়নি।

তিনি বলেন, নতুন বাইপাস দিয়ে দ্রুত পণ্যবাহী গাড়িগুলো বের হতে পারছে। এতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতি পাবে। আমদানি বাড়লে বৃদ্ধি পাবে রাজস্ব। আমদানি-রপ্তানি পণ্য খালাসে সময় কমবে।

বন্দরের রাজস্ব বিভাগের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, বেনাপোল বন্দর ব্যবহারে ভারতীয় খালি ট্রাকগুলো নির্দিষ্ট গেট দিয়ে ভারতে ফিরে  যাবে। শুল্কমুক্ত পণ্যবাহী বাংলাদেশি ট্রাক সহজে এবং নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাবে। যাত্রী ও মানুষ চলাচল হবে সহজ। খালি ট্রাক ঢুকবে নির্দিষ্ট গেট দিয়ে এবং সেটাও প্রয়োজন মাফিক।

জানা গেছে, গত মাসে ভারত থেকে আমদানি হয় প্রায় ৩০০ ট্রাক পন্য। নতুন বাইপাস চালুর প্রথম ১২ ঘণ্টায় ৬৫৬ ট্রাক পণ্য আমদানি করা হয়।

কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী জানান, সুবিধা পেয়েও কেউ অনিয়ম করলে সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও তার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা বেনাপোলে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা ও নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছি। বেশিরভাগ আমদানিকারককে ফোল্ডার সিস্টেম চালু করে ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। সীমান্ত বাণিজ্যে আন্তর্জাতিক মান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবার আন্তরিক সমর্থন প্রত্যাশা করছি।