চামড়া পাচারের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন (বিটিএ)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাই আগামী এক মাস সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর আহবান জানানো হয়েছে।

">
Pran All Time

চামড়া পাচারের আশঙ্কা করছে বিটিএ

UNB NEWS

শনিবার ২৫ আগস্ট, ২০১৮ ০৫:০৫:২৬ পিএম

চামড়া পাচারের আশঙ্কা করছে বিটিএ

ঢাকা, ২৫ আগস্ট (ইউএনবি)- চামড়া পাচারের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন (বিটিএ)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাই আগামী এক মাস সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর আহবান জানানো হয়েছে।

শনিবার ধানমন্ডির বিটিএ অফিসে চামড়া নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি শাহিন আহমেদ এই আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, কাঁচা চামড়ার দাম নিয়ে মিডিয়াতে যেভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে এটা আসলে বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

চামড়া ব্যবসায়ীদের এই নেতার মতে, পাড়া-মহল্লায় লোকজন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন জোর পুর্বক কম দামে চামড়া কিনছে তার দায় ট্যানারিরা নিবে না। ট্যানারি মালিকরা নির্ধারিত মুল্যে লবন যুক্ত চামড়া কিনবে।

বিটিএ সভাপতি বলেন, কেউ যদি চামড়ায় সঠিক ভাবে লবন না দেয় তাহলে কম দাম পাবে। তবে সঠিকভাবে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ট্যানারি মালিকরা তা সংগ্রহ করবে, নির্ধারিত দামও পাবে।

কম মূ্ল্যে চামড়া কেনা হচ্ছে এ ধরনের সংবাদ ঠিক নয় দাবি করে তিনি বলেন, এই ম্যাসেজের কারণে চামড়া পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। আর তাই আগামী এক মাস সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানায় বিটিএ।

বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন সভাপতি আরো বলেন, চামড়া শিল্পে ক্রান্তিকাল চলছে। বর্তমানে বেশিরভাগ ট্যানারিতে উৎপাদনে নেই। গত বছরের ৪০/৪৫ শতাংশ চামড়া এখনো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে।

চামড়া শিল্পের এমন দশার নেপথ্যে সরকারি সহায়তা না থাকা আর পুঁজি সংকটকে দায়ী করছেন তিনি।

শাহিন আহমেদ বলেন, সাভারে পরিকল্পিত ট্যানারি শিল্প গড়ে না উঠার দায় বিসিক-এর। ভুল তথ্য দিয়ে ট্যানারি মালিকদের সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বার বার সময় বাড়িয়েও এখানে পরিকল্পিত শিল্প নগরীর কাজ শেষ করা হয়নি। এর দায় বিসিকের।

এখানে বিনিয়োগ করে ট্যানারি মালিকরা মাঠে মারা গেছে বলেও মনে  করেন তিনি।