রাজধানীতে চলমান তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে অংশ নেয়া কর্মকর্তাদের কাছে পাহাড় কাটা, বনভূমির অবৈধ দখল, নদী দখল, নদী দূষণ, পাহাড় ধস রোধ ও বন রক্ষায় সহযোগিতা চেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

">
Pran All Time

নদী, পাহাড় ও বন রক্ষায় ডিসিদের সহায়তা চাইলেন মন্ত্রী

UNB NEWS

বুধবার ২৫ জুলাই, ২০১৮ ০২:১৮:১১ পিএম

নদী, পাহাড় ও বন রক্ষায় ডিসিদের সহায়তা চাইলেন মন্ত্রী

ঢাকা, ২৫ জুলাই (ইউএনবি)- রাজধানীতে চলমান তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে অংশ নেয়া কর্মকর্তাদের কাছে পাহাড় কাটা, বনভূমির অবৈধ দখল, নদী দখল, নদী দূষণ, পাহাড় ধস রোধ ও বন রক্ষায় সহযোগিতা চেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

বুধবার সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে মন্ত্রী এসব বিষয়ে সহযোগিতা চান।

পাহাড়, নদী ও বন রক্ষায় বিভিন্ন জেলার ডিসিদের আরো কীভাবে বেশি করে সম্পৃক্ত করা যায় সে বিষয়েও আলোচনা হয় বলে জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ডিসিদের সাথে পাহাড় ধস নিয়ে কথা হয়েছে। পাহাড় ধসে মারা যাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে- গাছ কাটা ও অবৈধ স্থাপনা। অন্যান্য জায়গায় পাহাড়গুলো পাথুরে থাকে কিন্তু সেখানে মূলত বালুমাটি। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে না পারলে এ সমস্যা থেকেই যাবে। বর্ষার আরো দু’মাস আছে, এ বিষয়ে আমাদের সাবধান থাকতে হবে। সেই বিষয়ে ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

পাহাড় ধস বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে বৃক্ষরোপণের ওপর জোর দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, পাহাড় ধস বন্ধে সবচেয়ে বড় যে জিনিস দরকার তা হলো, যেসব জায়গায় আমরা গাছ কেটে ফেলেছি, সেসব জায়গায় গাছ রোপন করা। তাহলে পাহাড় ধস বন্ধ হবে।

ধসের কারণে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে মন্ত্রী উচ্ছেদের পর সেখানকার বাসিন্দাদের অন্য জায়গায় স্থায়ী পুনর্বাসনের কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ডিসিরা কক্সবাজারের কথা বলেছেন, যেখানে বনের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। বনের প্রায় ৫ হাজার একরের মতো জমির ক্ষতি হয়েছে। সেটা আবার পুনরায় বনায়ন করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে বনের যে ক্ষতি হয়েছে তা আমাদের মেনে নিতে হবে। কারণ, আমরা তাদের এখানে আশ্রয় দিয়েছি। জ্বালানির অন্য কোনো বন্দোবস্ত করা না গেলে তারা গাছ কাটবেই। সিলিন্ডার দিলে সেখানে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।