পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে নিজ দলের জয় ঘোষণা করেছেন সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খান। দেশটির প্রধানমন্ত্রীও হতে যাচ্ছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

">
Pran All Time

দারিদ্র্যতা দূর, সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়ন: ইমরান

UNB NEWS

শুক্রবার ২৭ জুলাই, ২০১৮ ১২:০৮:১৬ পিএম

দারিদ্র্যতা দূর, সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়ন: ইমরান

ইসলামাবাদ, ২৭ জুলাই (এপি/ইউএনবি)- পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে নিজ দলের জয় ঘোষণা করেছেন সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খান। দেশটির প্রধানমন্ত্রীও হতে যাচ্ছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

নির্বাচনের ফলাফলে এগিয়ে থাকা ইমরান খান দারিদ্র্যমুক্ত নতুন এক পাকিস্তান গড়ার এবং সম্মান ও সমতার ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের ঘোষণা দিয়েছেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে পুরোপুরি ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে গণমাধ্যমের সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, সংসদের আসন সংখ্যায় অন্যান্য রাজনৈতিক দলের চেয়ে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ইমরানের নেতৃত্বাধীন তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।

গত বুধবার পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পরিষদের সাথে দেশটির চারটি প্রাদেশিক পরিষদেরও নির্বাচন হয়। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের (ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি) মোট আসন ৩৪২টি। এরমধ্যে ২৭২টি আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়। বাকি ৭০টি আসন নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত।

কোনো দলকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে ১৩৭টি আসন লাভ করতে হবে।

দেশটির এক ডজনের বেশি টেলিভিশন চ্যানেলের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ২৭০ আসনের মধ্যে সর্বাধিক ১১৯টি দখল করেছে ইমরানের পিটিআই।

নির্বাচনে নিজের দলের জয় দাবি করেছেন ক্রিকেট থেকে রাজনীতিতে আসা ইমরান খান। দারিদ্র্যমুক্ত নতুন এক পাকিস্তান গড়ার ঘোষণা দেন ৬৫ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে নতুন কিন্তু একতরফা নয় এমন সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশটিকে চালানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

ইমরান খান ১০ মিলিয়ন চাকরির প্রতিশ্রুতি পূরণ করে দরিদ্রদের জন্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করেন।

টেলিভিশন চ্যানেলে দেয়া এক ভাষণে ইমরান বলেন, আজ আপনাদের সামনে, পাকিস্তানের জনগণের সামনে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, এমনভাবে পাকিস্তানকে চালানো হবে, যা আগে কখনো চালানো হয়নি। দুর্নীতি দূর করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা হবে। সম্মান ও সমতার ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা হবে।