যুদ্ধ বিধ্বস্ত দক্ষিণ সুদানের প্রায় ১২ লাখেরও বেশি মানুষ দুর্ভিক্ষ থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছেন। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে দেশটির জনগণ খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।

">
Pran All Time

দুর্ভিক্ষের কবলে পড়বে দক্ষিণ সুদানের ১২ লাখ মানুষ

UNB NEWS

শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১২:৪২:৩৬ পিএম

দুর্ভিক্ষের কবলে পড়বে দক্ষিণ সুদানের ১২ লাখ মানুষ

জাতিসংঘ, ০৮ ডিসেম্বর (এপি/ইউএনবি)— যুদ্ধ বিধ্বস্ত দক্ষিণ সুদানের প্রায় ১২ লাখেরও বেশি মানুষ দুর্ভিক্ষ থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছেন। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে দেশটির জনগণ খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে এসব কথা বলেন মানবাধিকার সংস্থাটির প্রধান মার্ক লোকক।

মার্ক লোকক জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বলেন, ‘গত চার বছরে ২০ লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এরপর দেশের অভ্যন্তরে রয়েছে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ। বাকি জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের এখনো মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।’

লোকক বলেন, ‘আগামী মার্চ মাসে সারাদেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। বছর আমরা দুর্ভিক্ষ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। তবে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও উল্লেখযোগ্য সম্পদ দিয়ে পরে দুর্ভিক্ষের আগমন ঠেকাতে হবে।

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী প্রধান জিন পিয়েরে ল্যাক্রয়েস দক্ষিণ সুদানেরঅনিশ্চিতনিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বলেছেন। এছাড়া শুকনো মৌসুমের মতো দেশটির সামরিক সংঘর্ষ এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

সহিংসতা বন্ধ করে রাজনৈতিকভাবে নাগরিকদের রক্ষার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান ল্যাক্রয়েস।

২০১১ সালে প্রতিবেশী সুদান থেকে স্বাধীনতার পর দক্ষিণ সুদান শান্তি এবং স্থায়িত্ব লাভের আশায় রয়েছে। কিন্তু ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৫ সালের আগস্টে শান্তি চুক্তির পরও সাবেক রাষ্ট্রপতি কিরি মাশারে যুদ্ধ থামাতে পারেননি। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে সংঘর্ষের ফলে সহিংসতা আরো বেড়ে যায়। এতে  হাজার হাজার লোক মারা যায়।

তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ আশা করছে, মধ্য ডিসেম্বরে শুরু হতে যাচ্ছে আইজিএডি নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের পুনর্বিনিয়োগ ফোরাম। এই সুদৃঢ় প্রক্রিয়া সরকার বিরোধী জোটের সহিংসতার অবসান ঘটাতে পারবে।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকী হেলি দক্ষিণ সুদানের সরকার প্রতিদ্বন্দ্বী বাহিনীকে সতর্ক করেছেন। তিনি জানান, চলমান সহিংসতার অবসান, আলোচনা শুরু এবং মানবিক সংকট দূর করতে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।